দুর্গাপুজো কি কেবল সনাতনীদের? বাংলার সর্বজনীন উৎসবকে ঘিরে বিতর্ক
বিসর্জনে ধর্মীয় পরিচয়ের শর্ত, সনাতন ঐতিহ্য এবং বাংলার সাংস্কৃতিক সর্বজনীনতা—কোথায় সীমারেখা?

দুর্গাপুজো কি কেবল সনাতনীদের? বাংলার সর্বজনীন উৎসবকে পরিচয়ের বেড়াজালে বাঁধা যায় কি?
ধর্মীয় বিশ্বাসের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রেখেই প্রশ্ন তোলা জরুরি—দুর্গাপুজোর বিসর্জনে কারা অংশ নেবেন, সেই পরিচয় নির্ধারণের অধিকার কার?
পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুজো শুধু একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়। এটি বাংলার সামাজিক জীবন, শিল্প, সংস্কৃতি, অর্থনীতি এবং সমষ্টিগত আবেগের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। শরতের আকাশে কাশফুলের দোলা, কুমোরটুলির মৃৎশিল্প, ঢাকের শব্দ, পাড়ার মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, মানুষের ভিড় এবং বিজয়ার আবেগ—সব মিলিয়ে দুর্গোৎসব বাংলার এক স্বতন্ত্র সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা।
এই প্রেক্ষাপটে দুর্গাপুজোর বিসর্জনে কেবল সনাতন ধর্মাবলম্বীরাই প্রতিমা স্পর্শ করতে পারবেন—পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর এমন বক্তব্য নতুন করে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ২০২৬ সালের ২১ অক্টোবর কলকাতার বাবুঘাটে বিসর্জনের প্রস্তুতি পরিদর্শনের সময় তিনি বলেন, প্রতিমা বিসর্জনের কাজে যুক্ত ব্যক্তিদের পরিচয় পুলিশকে নথিবদ্ধ করতে বলেছেন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীরাই প্রতিমা স্পর্শ করবেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, বিষয়টি সাম্প্রদায়িক নয়, ধর্মীয় ঐতিহ্য ও রীতিনীতি অনুসরণের প্রশ্ন।
ধর্মীয় আচার পালনের ক্ষেত্রে ঐতিহ্য ও বিশ্বাসের গুরুত্ব অস্বীকার করার কারণ নেই। কিন্তু একই সঙ্গে প্রশ্ন তোলা জরুরি—কোনও ধর্মীয় আচারের নির্দিষ্ট বিধি থাকলে তা কীভাবে নির্ধারিত হবে? সেই বিধি কি সর্বত্র এক? আর কোনও সরকারি নির্দেশের মাধ্যমে বিসর্জনের মতো একটি জনপরিসরের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের ধর্মীয় পরিচয় যাচাই করার সিদ্ধান্তের ভিত্তি কী?
এই প্রশ্নগুলি কোনও ধর্মের বিরোধিতা নয়। এগুলি ঐতিহ্য, নাগরিক অধিকার এবং বাংলার সামাজিক বাস্তবতা বোঝার প্রশ্ন।
দুর্গাপুজো ধর্মীয়, কিন্তু দুর্গোৎসবের সামাজিক পরিসর আরও বিস্তৃত
দুর্গাপুজোর ধর্মীয় কেন্দ্রবিন্দু নিঃসন্দেহে দেবী দুর্গার আরাধনা। হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাস, পুরাণ, মন্ত্র, পূজাপদ্ধতি এবং বিসর্জনের আচার এই উৎসবের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই সত্য অস্বীকার করে দুর্গাপুজোকে নিছক ধর্মনিরপেক্ষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হিসেবে দেখানোও যথাযথ হবে না।
কিন্তু বাংলায় দুর্গাপুজোর সামাজিক বিস্তার কেবল ধর্মীয় আচার পালনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। পুজোর মণ্ডপ নির্মাণ করেন শিল্পী ও কারিগররা। প্রতিমা গড়েন মৃৎশিল্পীরা। আলো, সাজসজ্জা, পোশাক, খাবার, পরিবহণ, পর্যটন এবং ক্ষুদ্র ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত অসংখ্য মানুষ এই উৎসবের মাধ্যমে জীবিকা অর্জন করেন। মণ্ডপে মণ্ডপে ঘুরে প্রতিমা ও শিল্পকর্ম দেখেন নানা ধর্ম, জাতি, ভাষা ও সামাজিক পরিচয়ের মানুষ।
অর্থাৎ, দুর্গাপুজোর ধর্মীয় কেন্দ্র আছে, কিন্তু তার সামাজিক পরিসর কোনও একটি গোষ্ঠীর দৈনন্দিন জীবন বা অংশগ্রহণে সীমাবদ্ধ নয়।
এই পার্থক্যটি বোঝা জরুরি। ধর্মীয় আচারের নির্দিষ্ট বিধি থাকতে পারে, কিন্তু সেই বিধিকে অজুহাত করে একটি বৃহত্তর সাংস্কৃতিক উৎসবের সমস্ত সামাজিক পরিসরকে সংকুচিত করা উচিত কি না, সেটি আলাদা প্রশ্ন।
UNESCO-র স্বীকৃতি: বাংলার উৎসবের বৈশ্বিক পরিচয়
২০২১ সালে UNESCO কলকাতার দুর্গাপুজোকে Representative List of the Intangible Cultural Heritage of Humanity-তে অন্তর্ভুক্ত করে। UNESCO-র বিবরণে দুর্গাপুজোকে ধর্মীয় উপাসনা ও শিল্পের এক উল্লেখযোগ্য জনপরিসর হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। সেখানে প্রতিমা নির্মাণ, মণ্ডপ, শিল্পী ও ডিজাইনারদের সহযোগিতা এবং উৎসবের সময় শ্রেণি, ধর্ম ও জাতিগত বিভাজন অতিক্রম করে মানুষের অংশগ্রহণের কথাও উঠে এসেছে।
এই স্বীকৃতির অর্থ এই নয় যে UNESCO দুর্গাপুজোর ধর্মীয় আচার নির্ধারণ করেছে, অথবা বিসর্জনে কারা প্রতিমা স্পর্শ করবেন সে বিষয়ে কোনও নির্দেশ দিয়েছে। UNESCO-র স্বীকৃতির গুরুত্ব অন্য জায়গায়—এটি দুর্গাপুজোর জীবন্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, শিল্পচর্চা এবং সম্প্রদায়ভিত্তিক অংশগ্রহণের মূল্যকে স্বীকৃতি দেয়।
ভারতের সংস্কৃতি মন্ত্রকের প্রকাশিত বিবরণেও দুর্গাপুজোর সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠী, শিল্পী, কারিগর ও মহিলাদের অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
তাই দুর্গাপুজোর সাংস্কৃতিক পরিচয় নিয়ে আলোচনা করতে গেলে তার এই বিস্তৃত সামাজিক চরিত্রকে উপেক্ষা করা যায় না।
‘সনাতনী’ পরিচয় নির্ধারণের মাপকাঠি কী?
এখানেই আরেকটি জটিল প্রশ্ন উঠে আসে। সনাতন ধর্মের অনুসারী বলতে কাদের বোঝানো হচ্ছে, এবং কোনও সরকারি ব্যবস্থায় সেই পরিচয় কীভাবে নির্ধারণ করা হবে?
ধর্মীয় পরিচয় ব্যক্তিগত বিশ্বাস, সাধনা, পারিবারিক ঐতিহ্য এবং আত্মপরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। কিন্তু একজন মানুষের ধর্মীয় পরিচয় নির্ধারণের জন্য কি তাঁর নাম, পোশাক, কপালের তিলক কিংবা গলায় তুলসীর মালা পরীক্ষা করা হবে? কোনও ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয় কি শুধুমাত্র বাহ্যিক চিহ্ন দেখে নির্ভুলভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব?
এই প্রশ্নগুলি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সনাতন ঐতিহ্যের মধ্যেই রয়েছে নানা সম্প্রদায়, দর্শন, সাধনপদ্ধতি ও আচার। সকলের ধর্মাচরণ একরকম নয়। কেউ একটি নির্দিষ্ট রীতি পালন করেন, কেউ অন্য রীতি অনুসরণ করেন। বাহ্যিক প্রতীকের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি দিয়ে সব ক্ষেত্রে বিশ্বাসের গভীরতা কিংবা ধর্মীয় পরিচয়ের সম্পূর্ণ বিচার করা যায় না।
অবশ্য এর অর্থ এই নয় যে ধর্মীয় আচারের কোনও নির্দিষ্ট বিধি থাকতে পারে না। কোনও নির্দিষ্ট পূজার পুরোহিত, আচারসম্পাদক বা প্রতিমা বহনকারীদের জন্য আয়োজকেরা ঐতিহ্যগত নিয়ম অনুসরণ করতে পারেন। কিন্তু সেই নিয়মের ভিত্তি কী, তা কারা নির্ধারণ করেছেন এবং সেটি একটি সরকারি নির্দেশ হিসেবে কার্যকর করার আইনগত ভিত্তি কী—এসব প্রশ্নের উত্তর স্পষ্ট হওয়া দরকার।
বিসর্জন কি শুধুই ধর্মীয় আচার, নাকি জনপরিসরের সম্মিলিত অনুষ্ঠানও?
বিসর্জন দুর্গাপুজোর ধর্মীয় পরিসমাপ্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ আচার। প্রতিমা বহন, নির্দিষ্ট মন্ত্রপাঠ এবং বিসর্জনের রীতিতে ধর্মীয় তাৎপর্য রয়েছে। সেই আচারকে সম্মান করা জরুরি।
অন্যদিকে, কলকাতা ও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চলে বিসর্জনকে ঘিরে জনসমাগম, শোভাযাত্রা, ঘাটের ব্যবস্থাপনা, পরিবহণ, নিরাপত্তা এবং দর্শনার্থীদের উপস্থিতিও থাকে। ফলে বিসর্জনের বাস্তব ব্যবস্থাপনা ধর্মীয় আচার এবং জননিরাপত্তা—দুইয়ের সঙ্গেই সম্পর্কিত।
এখানে একটি কার্যকর পার্থক্য করা দরকার।
যাঁরা ধর্মীয় আচার পরিচালনা করবেন, তাঁদের জন্য প্রযোজ্য রীতি ও দায়িত্ব এক বিষয়। আর যাঁরা প্রতিমা দেখতে আসছেন, নিরাপত্তার কাজে সাহায্য করছেন, পরিবহণ বা অন্যান্য ব্যবস্থাপনায় যুক্ত রয়েছেন, তাঁদের প্রত্যেককে একই ধর্মীয় পরিচয়ের শর্তে বেঁধে দেওয়া আরেক বিষয়।
এই দুই ধরনের অংশগ্রহণকে এক করে দেখলে অপ্রয়োজনীয় বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে।
যদি কোনও নির্দিষ্ট আচারে ঐতিহ্যগত বিধিনিষেধ থাকে, তবে সেটি প্রমাণ ও প্রেক্ষাপটসহ ব্যাখ্যা করা যেতে পারে। কিন্তু সেই বিধি থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছনো যায় না যে দুর্গোৎসবের সমস্ত সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিসর কেবল একটি ধর্মীয় পরিচয়ের মানুষের জন্য সংরক্ষিত হওয়া উচিত।
বাংলার সর্বজনীনতার অর্থ কি ধর্মীয় পরিচয় মুছে দেওয়া?
না। সর্বজনীনতার অর্থ ধর্মীয় পরিচয় মুছে দেওয়া নয়। দুর্গাপুজো দেবী দুর্গার আরাধনা—এই ধর্মীয় সত্যকে অস্বীকার করে তার সর্বজনীনতা প্রতিষ্ঠা করতে হয় না।
বরং সর্বজনীনতার অর্থ হতে পারে, একটি ধর্মীয় উৎসবের নিজস্ব বিশ্বাস ও আচার অক্ষুণ্ণ রেখেও তার সামাজিক আনন্দ, শিল্প, সাংস্কৃতিক প্রকাশ এবং জনপরিসরের অভিজ্ঞতায় বৃহত্তর সমাজের অংশগ্রহণের সুযোগ থাকা।
যে মানুষ দেবী দুর্গার উপাসক নন, তিনিও মণ্ডপের শিল্পকর্ম দেখতে পারেন। একজন শিল্পী নিজের ধর্মীয় পরিচয় নির্বিশেষে প্রতিমা বা মণ্ডপ নির্মাণে কাজ করতে পারেন। কোনও দর্শনার্থী ধর্মীয় আচার পালন না করেও উৎসবের সাংস্কৃতিক পরিসরে অংশ নিতে পারেন। তবে এই অংশগ্রহণের অর্থ এই নয় যে প্রত্যেককে প্রতিটি ধর্মীয় আচার সম্পাদনের অধিকার স্বয়ংক্রিয়ভাবে দিতে হবে। আচার, দর্শন এবং প্রশাসনিক সহায়তার ভূমিকা আলাদা করে বিচার করা দরকার।
এই পার্থক্য বজায় রেখেই সর্বজনীনতার ধারণা অর্থবহ হয়।
প্রশাসনের দায়িত্ব: ঐতিহ্যের মর্যাদা ও নাগরিক অধিকারের ভারসাম্য
একজন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য কেবল ব্যক্তিগত ধর্মীয় মতামত নয়; প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনার প্রসঙ্গও এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, কারণ তিনি প্রতিমা বহনের কাজে যুক্ত ব্যক্তিদের পরিচয় নথিবদ্ধ করার কথা বলেছেন।
সুতরাং, এই সিদ্ধান্তের মূল্যায়নে কয়েকটি প্রশ্ন জরুরি:
পরিচয় নথিবদ্ধ করার নির্দিষ্ট প্রশাসনিক উদ্দেশ্য কী?
প্রতিমা বহন বা বিসর্জনের কাজে অংশগ্রহণকারীদের ধর্মীয় পরিচয় যাচাই করার আইনগত ভিত্তি কী?
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ধর্মীয় পরিচয় যাচাইয়ের পরিবর্তে দায়িত্ব, প্রশিক্ষণ, অনুমতি ও নিরাপত্তাবিধি অনুসরণ করা যথেষ্ট কি না?
নির্দিষ্ট ধর্মীয় আচার পালনের বিধি থাকলে তা কীভাবে প্রয়োগ করা হবে, যাতে অযথা বৈষম্য বা হয়রানির আশঙ্কা তৈরি না হয়?
এই প্রশ্নগুলির উত্তর সরকারি নির্দেশ, প্রযোজ্য আইন এবং সংশ্লিষ্ট আয়োজকদের বাস্তব রীতিনীতি যাচাই করেই দেওয়া সম্ভব। কেবল রাজনৈতিক বক্তব্যের ভিত্তিতে কোনও সিদ্ধান্তকে আইনসম্মত বা বেআইনি ঘোষণা করা উচিত নয়।
তবে নীতিগতভাবে একটি কথা স্পষ্ট: জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ধর্মীয় ঐতিহ্যের মর্যাদা বজায় রাখা প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। সেই দায়িত্ব পালনের পদ্ধতিও স্বচ্ছ, যুক্তিসংগত এবং নাগরিকদের সমান মর্যাদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া প্রয়োজন।
দুর্গাপুজো বাংলার, আরাধনা তার ধর্মীয় হৃদয়
দুর্গাপুজোকে বাংলার সর্বজনীন উৎসব বলা মানে এই নয় যে দেবী দুর্গার ধর্মীয় পরিচয় অস্বীকার করা হচ্ছে। আবার দুর্গাপুজো একটি হিন্দু ধর্মীয় উৎসব বলেই তার সমস্ত সাংস্কৃতিক পরিসরকে একক পরিচয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ করে ফেলাও যুক্তিসংগত নয়।
এই উৎসবের মধ্যে যেমন রয়েছে মন্ত্র, পূজা, আরতি ও বিসর্জনের ধর্মীয় তাৎপর্য, তেমনই রয়েছে শিল্প, শ্রম, অর্থনীতি, জনসমাগম, পাড়ার বন্ধন এবং বাংলার সাংস্কৃতিক স্মৃতি।
ধর্মীয় আচার পালনের অধিকারকে সম্মান করা যেমন জরুরি, তেমনই জরুরি এই প্রশ্ন করা যে ঐতিহ্যের নামে কোনও বৃহত্তর সামাজিক পরিসরকে সংকুচিত করা হচ্ছে কি না।
দুর্গাপুজোর ধর্মীয় পরিচয় আছে—কিন্তু তার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিসরও আছে। এই দুই সত্যকে পরস্পরের বিরোধী না করে একসঙ্গে স্বীকার করাই বাংলার দুর্গোৎসবকে বোঝার সবচেয়ে কার্যকর পথ।
বাঙালির দুর্গোৎসবের শক্তি কেবল প্রতিমায় নয়, সেই প্রতিমাকে ঘিরে গড়ে ওঠা মানুষের সম্মিলিত অভিজ্ঞতাতেও। ঐতিহ্যের মর্যাদা রক্ষা করতে হলে তার ধর্মীয় হৃদয়কে যেমন সম্মান করতে হবে, তেমনই তার সামাজিক পরিসরকে অকারণে সংকুচিত না করার দায়িত্বও নিতে হবে।
Official Editorial PDF Edition
Verified PublicationDownload a clean, high-resolution printable copy complete with tables, formulas, and high-res photography. Free for registered readers.
Community Feedback & Editorial Ratings
All Reader Reviews (0)
No reader reviews yet for this story.
Be the first to share your rating and perspective!














